• »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'আ '►

    আজকে নগদ কালকে ধার > অধিকরণে ২য়া

    আমাদের একটি গল্প বলুন > কর্মে ৬ষ্ঠী

    আমা হতে এ কার্য হবে না সাধন > কর্তায় ৫মী

    আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয় > অধিকরণে ৭মী

    আমি ঢাকা যাবো > অধিকরণে শূন্য

    আমরা রোজ স্কুলে যাই > অধিকরণে ৭মী

    আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা > কর্মে ২য়া

    আমাকে একখানা বই দাও > কর্মে শূন্য

    আমার যাওয়া হয়নি > কর্তায় ৬ষ্ঠী

    আমার খাওয়া হলো না > কর্তায় ৬ষ্ঠী

    আমাকে যেতে হবে > কর্তায় ২য়া

    আমায় একটু আশ্রয় দিন > সম্প্রদানে ৭মী

    আমি কি ডরাই সখী ভিখারি রাঘবে > অপাদানে ৭মী

    আগুনে সেঁক দাও > করণে ৭মী

    আকাশে চাঁদ উঠেছে > অধিকরণে ৭মী

    আকুল করিয়া তোলে মন > কর্মকারকে শূন্য

    আমার বসন্ত কাটে খাদ্যের সারিতে প্রতীক্ষায় > অধিকরণে ৭মী

    আমাদের চটিজুতো একজোড়া থাকিত > কর্মে শূন্য

    আমাদের বাড়ির দরজি নেয়ামত খলিফা > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়)

    আহারে আমাদের শৌখিনতার গন্ধও ছিল না > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়)

    আজ হবে না, কাল এসো > অধিকরণে শূন্য

    আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান তলির গাঁ > অধিকরণে শূন্য

    আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি > করণে ৭মী

    আলো চাই, অন্ন চাই, চাই মুক্তবায়ু > সম্প্রদানে শূন্য

    আকাশের ঐ তারার সনে কইব কথা নাই বা তুমি এলে > কর্মে ৬ষ্ঠী, কর্তায় শূন্য

    আমারে লহ তুমি করুণা করে > কর্মে ২য়া

    আচার–ব্যবহারে ভদ্র–অভদ্র চেনা যায় > অপাদানে ৭মী

    আত্মার সম্পর্ক হল আত্মীয় > কর্মে শূন্য

    আকাশ আজি মেঘলা যেয়ো নাকো একলা > অধিকরণে শূন্য

    আপন পাঠেতে মন করহ নিবেশ > অধিকরণে ৭মী

    আমার স্বপন আধো জাগরণ < কর্মে শূন্য

    আমারে করহ তোমার বীণা > কর্মে ২য়া

    আলোয় আঁধার কাটিয়া যায় > করণে ৭মী

    আমেরিকাতে ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট আইন পাশ হয়ে যায় > অধিকরণে ৭মী

    আজকাল মানুষ বড় মন্দ হয়ে গেছে > অধিকরণে শূন্য

    আগুনটা ভালো করে জ্বালা > কর্মে শূন্য

    আজ সেখানে গিয়েছিলাম > অধিকরণে শূন্য

    আমাদের মতো শিশুর আজ্ঞা যদি খাটিত > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী

    আমার ওই গাছগুলো যেন না কাটে > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী

    আমার মহেশ মরে যাবে > কর্তৃকারকে শূন্য

    আমার খাওয়া দাওয়া হয়নি > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী


    আমাকে যত খুশি সাজা দিও > কর্মকারকে ২য়া
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'আ '► আজকে নগদ কালকে ধার > অধিকরণে ২য়া আমাদের একটি গল্প বলুন > কর্মে ৬ষ্ঠী আমা হতে এ কার্য হবে না সাধন > কর্তায় ৫মী আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয় > অধিকরণে ৭মী আমি ঢাকা যাবো > অধিকরণে শূন্য আমরা রোজ স্কুলে যাই > অধিকরণে ৭মী আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা > কর্মে ২য়া আমাকে একখানা বই দাও > কর্মে শূন্য আমার যাওয়া হয়নি > কর্তায় ৬ষ্ঠী আমার খাওয়া হলো না > কর্তায় ৬ষ্ঠী আমাকে যেতে হবে > কর্তায় ২য়া আমায় একটু আশ্রয় দিন > সম্প্রদানে ৭মী আমি কি ডরাই সখী ভিখারি রাঘবে > অপাদানে ৭মী আগুনে সেঁক দাও > করণে ৭মী আকাশে চাঁদ উঠেছে > অধিকরণে ৭মী আকুল করিয়া তোলে মন > কর্মকারকে শূন্য আমার বসন্ত কাটে খাদ্যের সারিতে প্রতীক্ষায় > অধিকরণে ৭মী আমাদের চটিজুতো একজোড়া থাকিত > কর্মে শূন্য আমাদের বাড়ির দরজি নেয়ামত খলিফা > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়) আহারে আমাদের শৌখিনতার গন্ধও ছিল না > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়) আজ হবে না, কাল এসো > অধিকরণে শূন্য আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান তলির গাঁ > অধিকরণে শূন্য আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি > করণে ৭মী আলো চাই, অন্ন চাই, চাই মুক্তবায়ু > সম্প্রদানে শূন্য আকাশের ঐ তারার সনে কইব কথা নাই বা তুমি এলে > কর্মে ৬ষ্ঠী, কর্তায় শূন্য আমারে লহ তুমি করুণা করে > কর্মে ২য়া আচার–ব্যবহারে ভদ্র–অভদ্র চেনা যায় > অপাদানে ৭মী আত্মার সম্পর্ক হল আত্মীয় > কর্মে শূন্য আকাশ আজি মেঘলা যেয়ো নাকো একলা > অধিকরণে শূন্য আপন পাঠেতে মন করহ নিবেশ > অধিকরণে ৭মী আমার স্বপন আধো জাগরণ < কর্মে শূন্য আমারে করহ তোমার বীণা > কর্মে ২য়া আলোয় আঁধার কাটিয়া যায় > করণে ৭মী আমেরিকাতে ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট আইন পাশ হয়ে যায় > অধিকরণে ৭মী আজকাল মানুষ বড় মন্দ হয়ে গেছে > অধিকরণে শূন্য আগুনটা ভালো করে জ্বালা > কর্মে শূন্য আজ সেখানে গিয়েছিলাম > অধিকরণে শূন্য আমাদের মতো শিশুর আজ্ঞা যদি খাটিত > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী আমার ওই গাছগুলো যেন না কাটে > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী আমার মহেশ মরে যাবে > কর্তৃকারকে শূন্য আমার খাওয়া দাওয়া হয়নি > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী আমাকে যত খুশি সাজা দিও > কর্মকারকে ২য়া
    0 Comments ·0 Shares ·310 Views ·0 Reviews
  • ডব্লিউ.এ.এস. ওডারল্যান্ড, বীর প্রতীক
    মিঃ W.A.S. ওডারল্যান্ড ১৯১৭ সালের ডিসেম্বরে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে জন্মগ্রহণ করেন।

    আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাটা অপারেশনের সিইও হিসেবে তিনি নিযুক্ত ছিলেন। পাকিস্তানি দখলদার সেনাবাহিনী কর্তৃক নিরস্ত্র বাংলাদেশীদের উপর নৃশংস নির্যাতন ও দখলদারিত্ব তাকে অধিকৃত ইউরোপে নাৎসিদের দ্বারা সংঘটিত একই ধরণের বর্বরতার কথা মনে করিয়ে দেয়। দখলদার বাহিনীর নৃশংসতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশি প্রতিরোধের বৈধতা তিনি সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি করেছিলেন।

    তিনি গণহত্যার মাত্রা সম্পর্কে বিশ্বকে সচেতন করার তীব্র প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। একজন বিদেশী হিসেবে তিনি স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে সক্ষম হওয়ায়, তিনি পাকিস্তানি এবং তাদের এজেন্টদের দ্বারা সংঘটিত নৃশংসতার ছবি তোলেন। এরপর তিনি এই ছবিগুলি বিশ্ব সংবাদমাধ্যমে প্রেরণ করেন।

    যুদ্ধ এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে, তিনি গোপনে টঙ্গী এলাকার স্থানীয় যুবকদের গেরিলা প্রতিরোধের শিল্পে প্রশিক্ষণ এবং সহায়তা করতে শুরু করেন। তিনি তার পরিবারকে অধিকৃত বাংলাদেশ থেকে দূরে পাঠিয়ে দেন যাতে তিনি তার বাসস্থানকে আমাদের মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের অস্ত্রের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত করতে পারেন।

    #old #photo #bangladesh
    ডব্লিউ.এ.এস. ওডারল্যান্ড, বীর প্রতীক মিঃ W.A.S. ওডারল্যান্ড ১৯১৭ সালের ডিসেম্বরে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে জন্মগ্রহণ করেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাটা অপারেশনের সিইও হিসেবে তিনি নিযুক্ত ছিলেন। পাকিস্তানি দখলদার সেনাবাহিনী কর্তৃক নিরস্ত্র বাংলাদেশীদের উপর নৃশংস নির্যাতন ও দখলদারিত্ব তাকে অধিকৃত ইউরোপে নাৎসিদের দ্বারা সংঘটিত একই ধরণের বর্বরতার কথা মনে করিয়ে দেয়। দখলদার বাহিনীর নৃশংসতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশি প্রতিরোধের বৈধতা তিনি সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি করেছিলেন। তিনি গণহত্যার মাত্রা সম্পর্কে বিশ্বকে সচেতন করার তীব্র প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। একজন বিদেশী হিসেবে তিনি স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে সক্ষম হওয়ায়, তিনি পাকিস্তানি এবং তাদের এজেন্টদের দ্বারা সংঘটিত নৃশংসতার ছবি তোলেন। এরপর তিনি এই ছবিগুলি বিশ্ব সংবাদমাধ্যমে প্রেরণ করেন। যুদ্ধ এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে, তিনি গোপনে টঙ্গী এলাকার স্থানীয় যুবকদের গেরিলা প্রতিরোধের শিল্পে প্রশিক্ষণ এবং সহায়তা করতে শুরু করেন। তিনি তার পরিবারকে অধিকৃত বাংলাদেশ থেকে দূরে পাঠিয়ে দেন যাতে তিনি তার বাসস্থানকে আমাদের মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের অস্ত্রের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত করতে পারেন। #old #photo #bangladesh
    Like
    1
    · 0 Comments ·0 Shares ·608 Views ·0 Reviews
  • ইমেজ সেন্সর কি এবং কিভাবে কাজ করে?

    উত্তর: ইমেজ সেন্সর হল একটি ডিজিটাল ক্যামেরার মূল উপাদান, আলোকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করার জন্য দায়ী। লেন্স এবং শাটারের পিছনে অবস্থিত, এতে লক্ষ লক্ষ আলোক সংবেদনশীল ডায়োড রয়েছে, যা পিক্সেল নামে পরিচিত।

    যখন আলো এই পিক্সেলগুলিতে আঘাত করে, তখন তারা এর তীব্রতা এবং রঙ সম্পর্কে তথ্য রেকর্ড করে, যা তারপরে একটি ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তরিত হয়। সেন্সর দুটি প্রধান ধরনের আছে: CCD (চার্জ-কাপল্ড ডিভাইস) এবং CMOS (পরিপূরক মেটাল-অক্সাইড-সেমিকন্ডাক্টর)।

    #camera #sensor #dslr
    ইমেজ সেন্সর কি এবং কিভাবে কাজ করে? উত্তর: ইমেজ সেন্সর হল একটি ডিজিটাল ক্যামেরার মূল উপাদান, আলোকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তর করার জন্য দায়ী। লেন্স এবং শাটারের পিছনে অবস্থিত, এতে লক্ষ লক্ষ আলোক সংবেদনশীল ডায়োড রয়েছে, যা পিক্সেল নামে পরিচিত। যখন আলো এই পিক্সেলগুলিতে আঘাত করে, তখন তারা এর তীব্রতা এবং রঙ সম্পর্কে তথ্য রেকর্ড করে, যা তারপরে একটি ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তরিত হয়। সেন্সর দুটি প্রধান ধরনের আছে: CCD (চার্জ-কাপল্ড ডিভাইস) এবং CMOS (পরিপূরক মেটাল-অক্সাইড-সেমিকন্ডাক্টর)। #camera #sensor #dslr
    Like
    1
    · 0 Comments ·0 Shares ·671 Views ·0 Reviews
Otvut https://playu.otvut.com/