»»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ক '►
কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলো > কর্মে শূন্য
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > কর্মে শূন্য
কত ধানে কত চাল তা আমি জানি > অপাদানে ৭মী
কান্নায় শোক মন্দীভূত হয় > ভাবাধিকরণে ৭মী
কপালের লেখা যায় না খণ্ডন > অধিকরণে ৬ষ্ঠী
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > অধিকরণে ৭মী
কথায় কথা বাড়ে > করণে ৭মী
কাঁথায় শীত মানে না > করণে ৭মী
কলমের খোঁচা দিও না > করণে ৬ষ্ঠী
কুকর্মে বিরত হও > অপাদানে ৭মী
কাজে মন দাও > অধিকরণে ৭মী
কাচের জিনিস অতি সহজে ভাঙে > করণে ৬ষ্ঠী
কাজের বেলা গোল করো না > অধিকরণে শূন্য
কি সাহসে এমন কথা বললে > কর্মে ৭মী
কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নাই মানা > কর্তায় ৬ষ্ঠী
কী হচ্ছে বাইরে > অধিকরণে ৭মী
কর্তা তোকে জ্যাম্ত করে দেবে > কর্মে ২য়া
কাকি আমার সেই শিমুল গাছের একটা ফটোগ্রাফ পাঠিয়ে দাও > সম্বোধন পদ (কারক নয়)
কাকা তোমার দুটি পায়ে পড়ি > সম্বোধন পদ (কারক নয়)
কবিগুরু গীতাঞ্জলি লিখেছেন > কর্মে শূন্য
কথায় চিড়ে ভেজে না > করণে ৭মী, কর্মে ৭মী
কোথা সে ছায়া সখি কোথায় সে জল > কর্মে শূন্য
ক্রোধ থেকে জন্মে মোহ, মোহ থেকে পাপ > অপাদানে শূন্য
কূলে একা বসে আছি নাহি ভরসা > অধিকরণে ৭মী
কি করি আজ ভেবে নাই > অধিকরণে শূন্য
কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে না > কর্মে শূন্য
কেহ বাতায়ন–পাশে চেয়ে রয় নীলাকাশে > কর্মকারকে ৭মী
কেঁদে মরি আঁখিজলে > করণকারকে ৭মী
কোনো প্রান্তরের গাছের ছায়ায় > অধিকরণে ৭মী
কী দেখে ডরিবে এদাস হেন দুর্বল মানবে? > অপাদানে ৭মী
কোনোদিন অদৃষ্টকে দোষ দিই নাই > কর্মে ২য়া
কৃষ্ণা দ্বাদশীর জ্যাোৎস্না যখন মরিয়া গেছে > কর্তৃকারকে শূন্য
কেঁদে ভাসাইত বুক > কর্মে শূন্য
কতবার বালিকাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছি > কর্মে ২য়া
ক্রুদ্ধ রোষে রুদ্ধ ব্যথায় ফোঁপায় প্রাণে ক্ষুব্ধ বাণী > রোষে = করণে ৭মী, ব্যথায় = করণে ৭মী, বাণী = কর্তৃকারকে শূন্য।
কিন্তু বলাইয়ের আগ্রহের সাথে পাল্লা দিতে পারে না > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী
কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলো > কর্মে শূন্য
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > কর্মে শূন্য
কত ধানে কত চাল তা আমি জানি > অপাদানে ৭মী
কান্নায় শোক মন্দীভূত হয় > ভাবাধিকরণে ৭মী
কপালের লেখা যায় না খণ্ডন > অধিকরণে ৬ষ্ঠী
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > অধিকরণে ৭মী
কথায় কথা বাড়ে > করণে ৭মী
কাঁথায় শীত মানে না > করণে ৭মী
কলমের খোঁচা দিও না > করণে ৬ষ্ঠী
কুকর্মে বিরত হও > অপাদানে ৭মী
কাজে মন দাও > অধিকরণে ৭মী
কাচের জিনিস অতি সহজে ভাঙে > করণে ৬ষ্ঠী
কাজের বেলা গোল করো না > অধিকরণে শূন্য
কি সাহসে এমন কথা বললে > কর্মে ৭মী
কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নাই মানা > কর্তায় ৬ষ্ঠী
কী হচ্ছে বাইরে > অধিকরণে ৭মী
কর্তা তোকে জ্যাম্ত করে দেবে > কর্মে ২য়া
কাকি আমার সেই শিমুল গাছের একটা ফটোগ্রাফ পাঠিয়ে দাও > সম্বোধন পদ (কারক নয়)
কাকা তোমার দুটি পায়ে পড়ি > সম্বোধন পদ (কারক নয়)
কবিগুরু গীতাঞ্জলি লিখেছেন > কর্মে শূন্য
কথায় চিড়ে ভেজে না > করণে ৭মী, কর্মে ৭মী
কোথা সে ছায়া সখি কোথায় সে জল > কর্মে শূন্য
ক্রোধ থেকে জন্মে মোহ, মোহ থেকে পাপ > অপাদানে শূন্য
কূলে একা বসে আছি নাহি ভরসা > অধিকরণে ৭মী
কি করি আজ ভেবে নাই > অধিকরণে শূন্য
কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে না > কর্মে শূন্য
কেহ বাতায়ন–পাশে চেয়ে রয় নীলাকাশে > কর্মকারকে ৭মী
কেঁদে মরি আঁখিজলে > করণকারকে ৭মী
কোনো প্রান্তরের গাছের ছায়ায় > অধিকরণে ৭মী
কী দেখে ডরিবে এদাস হেন দুর্বল মানবে? > অপাদানে ৭মী
কোনোদিন অদৃষ্টকে দোষ দিই নাই > কর্মে ২য়া
কৃষ্ণা দ্বাদশীর জ্যাোৎস্না যখন মরিয়া গেছে > কর্তৃকারকে শূন্য
কেঁদে ভাসাইত বুক > কর্মে শূন্য
কতবার বালিকাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছি > কর্মে ২য়া
ক্রুদ্ধ রোষে রুদ্ধ ব্যথায় ফোঁপায় প্রাণে ক্ষুব্ধ বাণী > রোষে = করণে ৭মী, ব্যথায় = করণে ৭মী, বাণী = কর্তৃকারকে শূন্য।
কিন্তু বলাইয়ের আগ্রহের সাথে পাল্লা দিতে পারে না > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী
»»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ক '►
কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলো > কর্মে শূন্য
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > কর্মে শূন্য
কত ধানে কত চাল তা আমি জানি > অপাদানে ৭মী
কান্নায় শোক মন্দীভূত হয় > ভাবাধিকরণে ৭মী
কপালের লেখা যায় না খণ্ডন > অধিকরণে ৬ষ্ঠী
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > অধিকরণে ৭মী
কথায় কথা বাড়ে > করণে ৭মী
কাঁথায় শীত মানে না > করণে ৭মী
কলমের খোঁচা দিও না > করণে ৬ষ্ঠী
কুকর্মে বিরত হও > অপাদানে ৭মী
কাজে মন দাও > অধিকরণে ৭মী
কাচের জিনিস অতি সহজে ভাঙে > করণে ৬ষ্ঠী
কাজের বেলা গোল করো না > অধিকরণে শূন্য
কি সাহসে এমন কথা বললে > কর্মে ৭মী
কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নাই মানা > কর্তায় ৬ষ্ঠী
কী হচ্ছে বাইরে > অধিকরণে ৭মী
কর্তা তোকে জ্যাম্ত করে দেবে > কর্মে ২য়া
কাকি আমার সেই শিমুল গাছের একটা ফটোগ্রাফ পাঠিয়ে দাও > সম্বোধন পদ (কারক নয়)
কাকা তোমার দুটি পায়ে পড়ি > সম্বোধন পদ (কারক নয়)
কবিগুরু গীতাঞ্জলি লিখেছেন > কর্মে শূন্য
কথায় চিড়ে ভেজে না > করণে ৭মী, কর্মে ৭মী
কোথা সে ছায়া সখি কোথায় সে জল > কর্মে শূন্য
ক্রোধ থেকে জন্মে মোহ, মোহ থেকে পাপ > অপাদানে শূন্য
কূলে একা বসে আছি নাহি ভরসা > অধিকরণে ৭মী
কি করি আজ ভেবে নাই > অধিকরণে শূন্য
কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে না > কর্মে শূন্য
কেহ বাতায়ন–পাশে চেয়ে রয় নীলাকাশে > কর্মকারকে ৭মী
কেঁদে মরি আঁখিজলে > করণকারকে ৭মী
কোনো প্রান্তরের গাছের ছায়ায় > অধিকরণে ৭মী
কী দেখে ডরিবে এদাস হেন দুর্বল মানবে? > অপাদানে ৭মী
কোনোদিন অদৃষ্টকে দোষ দিই নাই > কর্মে ২য়া
কৃষ্ণা দ্বাদশীর জ্যাোৎস্না যখন মরিয়া গেছে > কর্তৃকারকে শূন্য
কেঁদে ভাসাইত বুক > কর্মে শূন্য
কতবার বালিকাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছি > কর্মে ২য়া
ক্রুদ্ধ রোষে রুদ্ধ ব্যথায় ফোঁপায় প্রাণে ক্ষুব্ধ বাণী > রোষে = করণে ৭মী, ব্যথায় = করণে ৭মী, বাণী = কর্তৃকারকে শূন্য।
কিন্তু বলাইয়ের আগ্রহের সাথে পাল্লা দিতে পারে না > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী
0 Comments
·0 Shares
·197 Views
·0 Reviews