• »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'স '►

    সে গায়েই ছিল > অধিকরণে ৭মী

    সে আমাকে সবকিছু বলেছিল > কর্মে ২য়া

    সকালে বেশ স্পষ্ট দেখা গেল > অধিকরণে ৭মী

    সারাদিন সমানভাবে অগ্নহলীল চলিল > অধিকরণে শূন্য

    সেই শোকে দাদার খেয়াল গেল > কর্তায় ৬ষ্ঠী

    সর্বাঙ্গ দংশিল মোর নাগ নাগবালা > কর্মে শূন্য

    সর্বছাত্রে জ্ঞান দেন শিক্ষকগণ > সম্প্রদানে ৭মী

    সমিতিতে চাঁদা দাও > সম্প্রদানে ৭মী

    সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু > নিমিত্তার্থে ৬ষ্ঠী

    সরোবরে পদ্মা ফোটে > অধিকরণে ৭মী

    সমুদ্রে লবণ আছে > অধিকরণে ৭মী

    সাধনায় সিদ্ধ লাভ হয় > করণে ৭মী

    সাদা মেঘে বৃষ্টি হয় না > অপাদানে ৭মী

    সৌন্দর্য্যে কার না রুচি আছে > অধিকরণে ৭মী

    সব ঝিনুকো মুক্তা পাওয়া যায় না > অপাদানে ৭মী

    সারারাত বৃষ্টি ছিল > অধিকরণে শূন্য

    সর্বজনে দয়া কর > সম্প্রদানে ৭মী

    সবাঙ্গে ব্যথা ঔষধ দিব কোথা > অধিকরণে ৭মী

    স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় > কর্তায় শূন্য

    সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয় > অধিকরণে ৭মী (ভাবে ৭মী)

    সেই সুমধুর স্তব্ধ দুপুর পাঠশালা পলায়ন > অপাদানে শূন্য

    সকলকে মরিতে হইবে > কর্তায় ২য়া

    সরিষা হইতে তৈল হয় > অপাদানে ৫মী

    সোজা পথে চল না কেন? > করণে ৭মী

    সর্বভূতে ধন দাও > সম্প্রদানে ৭মী

    সমুদ্র দেখিব বড় সাধ ছিল > কর্মে শূন্য

    সেই জন্য বিশ্বপ্রকৃতিকে আড়াল আবডাল হইতে দেখিলাম > কর্মে ২য়া

    সচকিতে বীরবল দেখিলা সম্মুখে > কর্তায় শূন্য

    সপ্তপুরুষ যেথায় মানুষ > কর্তায় শূন্য

    সন্ন্যাসীবেশে ফিরি দেশে দেশে > অপাদানে ৭মী

    সহসা বাতাস ফেলি গেল শ্বাস > কর্তায় শূন্য

    স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থানুর ললাটে > কর্মে ২য়া / অধিকরণে ৭মী

    সেটাকে কেউ পাগলামী মনে করে > কর্মে শূন্য

    সমস্তই নিষ্ঠুর নিড়ানি দিয়ে নিড়িয়ে ফেলা হয় > করণে ৩য়া
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'স '► সে গায়েই ছিল > অধিকরণে ৭মী সে আমাকে সবকিছু বলেছিল > কর্মে ২য়া সকালে বেশ স্পষ্ট দেখা গেল > অধিকরণে ৭মী সারাদিন সমানভাবে অগ্নহলীল চলিল > অধিকরণে শূন্য সেই শোকে দাদার খেয়াল গেল > কর্তায় ৬ষ্ঠী সর্বাঙ্গ দংশিল মোর নাগ নাগবালা > কর্মে শূন্য সর্বছাত্রে জ্ঞান দেন শিক্ষকগণ > সম্প্রদানে ৭মী সমিতিতে চাঁদা দাও > সম্প্রদানে ৭মী সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু > নিমিত্তার্থে ৬ষ্ঠী সরোবরে পদ্মা ফোটে > অধিকরণে ৭মী সমুদ্রে লবণ আছে > অধিকরণে ৭মী সাধনায় সিদ্ধ লাভ হয় > করণে ৭মী সাদা মেঘে বৃষ্টি হয় না > অপাদানে ৭মী সৌন্দর্য্যে কার না রুচি আছে > অধিকরণে ৭মী সব ঝিনুকো মুক্তা পাওয়া যায় না > অপাদানে ৭মী সারারাত বৃষ্টি ছিল > অধিকরণে শূন্য সর্বজনে দয়া কর > সম্প্রদানে ৭মী সবাঙ্গে ব্যথা ঔষধ দিব কোথা > অধিকরণে ৭মী স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় > কর্তায় শূন্য সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয় > অধিকরণে ৭মী (ভাবে ৭মী) সেই সুমধুর স্তব্ধ দুপুর পাঠশালা পলায়ন > অপাদানে শূন্য সকলকে মরিতে হইবে > কর্তায় ২য়া সরিষা হইতে তৈল হয় > অপাদানে ৫মী সোজা পথে চল না কেন? > করণে ৭মী সর্বভূতে ধন দাও > সম্প্রদানে ৭মী সমুদ্র দেখিব বড় সাধ ছিল > কর্মে শূন্য সেই জন্য বিশ্বপ্রকৃতিকে আড়াল আবডাল হইতে দেখিলাম > কর্মে ২য়া সচকিতে বীরবল দেখিলা সম্মুখে > কর্তায় শূন্য সপ্তপুরুষ যেথায় মানুষ > কর্তায় শূন্য সন্ন্যাসীবেশে ফিরি দেশে দেশে > অপাদানে ৭মী সহসা বাতাস ফেলি গেল শ্বাস > কর্তায় শূন্য স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থানুর ললাটে > কর্মে ২য়া / অধিকরণে ৭মী সেটাকে কেউ পাগলামী মনে করে > কর্মে শূন্য সমস্তই নিষ্ঠুর নিড়ানি দিয়ে নিড়িয়ে ফেলা হয় > করণে ৩য়া
    0 Comments ·0 Shares ·326 Views ·0 Reviews
  • »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'দ '►

    দান করয়ে জনেজনে > কর্মে ৭মী

    দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে > কর্মে শূন্য

    দুঃখে যাদের জীবন গড়া, তাদের আবার দুঃখ কীসের? > অধিকরণে ৭মী

    দাসত্ব চিত্তকে সংকীর্ণ করে > কর্মে ২য়া

    দরিদ্র ধনীকে ঈর্ষা করে > কর্মে ২য়া

    দিনে দিনে শুধু বাড়িতেছে দেনা > অধিকরণে ৭মী

    দেবতার ধন কে যায় ফিরায়ে লয়ে > সম্প্রদানে ৬ষ্ঠী

    দুয়ারে দাঁড়ায়ে ভিক্ষুক > অধিকরণে ৭মী

    দীনে দয়া কর > সম্প্রদানে ৭মী

    দরিদ্রকে ধন দাও > নিমিত্তার্থে ৪র্থী

    দিব তোমা শ্রদ্ধাভক্তি > সম্প্রদানে শূন্য

    দুধে ছানা হয় > অপাদানে ৭মী

    দেশের জন্য প্রাণ দাও > সম্প্রদানে ৪র্থী

    দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে > কর্মে শূন্য, অধিকরণে ৭মী

    দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে > অপাদানে ৫মী

    দাদি যে তোমার কত খুশী হত > কর্তৃকারকে শূন্য

    দুটি পাকাফল লভিল ভূতল > কর্তৃকারকে শূন্য

    দৈন্যের দায়ে বেচিব সে মায়ে > কর্মে ৭মী

    দুটো চিতা বাঘ তো ওদের গা ঘেসে ছুটে পালাল > কর্তৃকারকে শূন্য

    দুজনেই হাঁপাতে হাঁপাতে বসে পড়ল > কর্তৃকারকে ৭মী
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'দ '► দান করয়ে জনেজনে > কর্মে ৭মী দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে > কর্মে শূন্য দুঃখে যাদের জীবন গড়া, তাদের আবার দুঃখ কীসের? > অধিকরণে ৭মী দাসত্ব চিত্তকে সংকীর্ণ করে > কর্মে ২য়া দরিদ্র ধনীকে ঈর্ষা করে > কর্মে ২য়া দিনে দিনে শুধু বাড়িতেছে দেনা > অধিকরণে ৭মী দেবতার ধন কে যায় ফিরায়ে লয়ে > সম্প্রদানে ৬ষ্ঠী দুয়ারে দাঁড়ায়ে ভিক্ষুক > অধিকরণে ৭মী দীনে দয়া কর > সম্প্রদানে ৭মী দরিদ্রকে ধন দাও > নিমিত্তার্থে ৪র্থী দিব তোমা শ্রদ্ধাভক্তি > সম্প্রদানে শূন্য দুধে ছানা হয় > অপাদানে ৭মী দেশের জন্য প্রাণ দাও > সম্প্রদানে ৪র্থী দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে > কর্মে শূন্য, অধিকরণে ৭মী দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে > অপাদানে ৫মী দাদি যে তোমার কত খুশী হত > কর্তৃকারকে শূন্য দুটি পাকাফল লভিল ভূতল > কর্তৃকারকে শূন্য দৈন্যের দায়ে বেচিব সে মায়ে > কর্মে ৭মী দুটো চিতা বাঘ তো ওদের গা ঘেসে ছুটে পালাল > কর্তৃকারকে শূন্য দুজনেই হাঁপাতে হাঁপাতে বসে পড়ল > কর্তৃকারকে ৭মী
    0 Comments ·0 Shares ·162 Views ·0 Reviews
  • জালালউদ্দিন রুমির একটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি:

    "স্রষ্টা বলেছেন, 'তুমি যাকে'ই আমার চেয়ে বেশি ভালোবাসবে', আমি তাকে'ই তোমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবো এবং তোমাকে একা করে রাখব। "তিনি আরও বলেছেন, 'কখনো বলবেনা আমি তাকে ছাড়া বাঁচবোনা' তবে আমি তাকে ছাড়াই তোমাকে বাঁচাবো এবং পেছনের অনুগত সব আবেগ কেড়ে নিয়ে, তোমাকে দিব্যি সামনে নিয়ে যাব..!!

    তুমি কী দেখো না, ঋতুরাও বদলাতে থাকে...?

    ছায়া দেয়া গাছের পাতাও একসময় শুকিয়ে যায়?

    ধৈর্য্য হারিয়ে যায় কিন্তু তোমার স্রষ্টা ধৈর্যশীল ও পরম দয়ালু, সেই ঝরে যাওয়া পাতার ডাল থেকেই আবার সবুজ পাতা গজায়, তুমি কী দেখো না তোমার স্রষ্টার এই নিদর্শন...?

    যে মানুষটাকে তুমি নিজের অংশ ভাবতে, সেই মানুষটাই একদিন অচেনা হয়ে যায়। তোমার মন ভে ঙে যায়...!

    এমনকি তোমার বন্ধুও শ ত্রু তে পরিণত হয়, আর শ ত্রুও খানিক সময় পরে বন্ধুতে পরিণত হয়। যে মানুষটাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে সেও প্রতারণা করে। তবে তুমি কেন স্রষ্টার বিমুখ হয়ে মানুষকে ভরসা করো...? অদ্ভুত এই পৃথিবী...!


    যখন তুমি ভাবো এটা হবেনা কখনো, কিন্তু পরক্ষণে সেটাই হয়। সেটাই হবার নয় কী...? তুমি বল, 'আমি পড়বনা' অথচ তুমি পড়ো। তুমি বলো, 'আমি বিস্মিত হবোনা...!' অথচ তুমি রোজ বিস্মিত হও।

    এবং সবচেয়ে বিচিত্র বিষয় হচ্ছে-তুমি বলতে থাকো 'আমি মরে গেছি' অথচ তুমি বাঁচো, তুমি বেঁচে থাকো, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচায়, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচিয়ে রাখে...!

    -মাওলানা জালালুদ্দিন মোহাম্মদ রুমি (রহ.) #Jalaluddin #rumi
    জালালউদ্দিন রুমির একটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি: "স্রষ্টা বলেছেন, 'তুমি যাকে'ই আমার চেয়ে বেশি ভালোবাসবে', আমি তাকে'ই তোমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবো এবং তোমাকে একা করে রাখব। "তিনি আরও বলেছেন, 'কখনো বলবেনা আমি তাকে ছাড়া বাঁচবোনা' তবে আমি তাকে ছাড়াই তোমাকে বাঁচাবো এবং পেছনের অনুগত সব আবেগ কেড়ে নিয়ে, তোমাকে দিব্যি সামনে নিয়ে যাব..!! তুমি কী দেখো না, ঋতুরাও বদলাতে থাকে...? ছায়া দেয়া গাছের পাতাও একসময় শুকিয়ে যায়? ধৈর্য্য হারিয়ে যায় কিন্তু তোমার স্রষ্টা ধৈর্যশীল ও পরম দয়ালু, সেই ঝরে যাওয়া পাতার ডাল থেকেই আবার সবুজ পাতা গজায়, তুমি কী দেখো না তোমার স্রষ্টার এই নিদর্শন...? যে মানুষটাকে তুমি নিজের অংশ ভাবতে, সেই মানুষটাই একদিন অচেনা হয়ে যায়। তোমার মন ভে ঙে যায়...! এমনকি তোমার বন্ধুও শ ত্রু তে পরিণত হয়, আর শ ত্রুও খানিক সময় পরে বন্ধুতে পরিণত হয়। যে মানুষটাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে সেও প্রতারণা করে। তবে তুমি কেন স্রষ্টার বিমুখ হয়ে মানুষকে ভরসা করো...? অদ্ভুত এই পৃথিবী...! যখন তুমি ভাবো এটা হবেনা কখনো, কিন্তু পরক্ষণে সেটাই হয়। সেটাই হবার নয় কী...? তুমি বল, 'আমি পড়বনা' অথচ তুমি পড়ো। তুমি বলো, 'আমি বিস্মিত হবোনা...!' অথচ তুমি রোজ বিস্মিত হও। এবং সবচেয়ে বিচিত্র বিষয় হচ্ছে-তুমি বলতে থাকো 'আমি মরে গেছি' অথচ তুমি বাঁচো, তুমি বেঁচে থাকো, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচায়, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচিয়ে রাখে...! -মাওলানা জালালুদ্দিন মোহাম্মদ রুমি (রহ.) #Jalaluddin #rumi
    0 Comments ·0 Shares ·563 Views ·0 Reviews
Otvut https://playu.otvut.com/