• A healthy Insulin plant | ইনসুলিন / ডায়াবেটিস গাছ

    500৳
    0.0 (0 Reviews)
    একগাদা ওষুধ খেয়েও যখন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না তখন ভরসা রাখতে পারেন ভেষজে। আমাদের চারপাশে এমন কিছু গাছ আছে যেগুলো ঔষধি গুণ সম্পন্ন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ইনসুলিন প্ল্যান্ট। শতশত বছর ধরে চাইনিজরা এই গাছের পাতা খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখছেন। তাদের বিশ্বাস এই গাছের পাতায় এমন কিছু উপাদান আছে যেগুলো ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে। শুধু চীন নয় সুইজারল্যান্ডের কিছু বিজ্ঞানীদেরও এমনটাই দাবি। তাদের মতে, এই গাছের পাতা খেলে ইনসুলিন কিংবা ট্যাবলেট ছাড়া আপনার ডায়াবেটিস সম্পূণরূপে নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
    একগাদা ওষুধ খেয়েও যখন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না তখন ভরসা রাখতে পারেন ভেষজে। আমাদের চারপাশে এমন কিছু গাছ আছে যেগুলো ঔষধি গুণ সম্পন্ন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ইনসুলিন প্ল্যান্ট। শতশত বছর ধরে চাইনিজরা এই গাছের পাতা খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখছেন। তাদের বিশ্বাস এই গাছের পাতায় এমন কিছু উপাদান আছে যেগুলো ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে। শুধু চীন নয় সুইজারল্যান্ডের কিছু বিজ্ঞানীদেরও এমনটাই দাবি। তাদের মতে, এই গাছের পাতা খেলে ইনসুলিন কিংবা ট্যাবলেট ছাড়া আপনার ডায়াবেটিস সম্পূণরূপে নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
    In stock ·New
    Bangladesh
    Like
    1
    · 0 Comments ·0 Shares ·295 Views ·0 Reviews
  • »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'হ'►

    হেমলক গাছের জঙ্গল দাবানলে ও প্রস্তর বর্ষণল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেল > করণে ৭মী

    হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে > অধিকরণে ২য়া

    হালে যেমন তেমন মইয়ে তুফান > অধিকরণে ৭মী
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'হ'► হেমলক গাছের জঙ্গল দাবানলে ও প্রস্তর বর্ষণল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেল > করণে ৭মী হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে > অধিকরণে ২য়া হালে যেমন তেমন মইয়ে তুফান > অধিকরণে ৭মী
    0 Comments ·0 Shares ·134 Views ·0 Reviews
  • »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ব '►

    বিনা জ্বালে ভাত হয় না > করণে ৭মী

    বাড়ী থেকে নদী দেখা যায় > অধিকরণে ৫মী

    বাবা বাড়ী নেই > অধিকরণে শূন্য

    বাবাকে বড্ড ভয় পাই > অপাদানে ২য়া

    বাপে না জিজ্ঞাসে মায়ে না সম্ভাসে > কর্তায় ৭মী

    বাঘে মহিষে এক ঘাটে পানি খায় > কর্তায় ৭মী

    বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দিব কিসে > কর্তায় ৭মী

    বিপদে আমি না যেন করি ভয় > কর্মে ৭মী

    বিপদে অধীর হইও না > অধিকরণে ৭মী

    বিপদে মোরে রক্ষা কর > অপাদানে ৭মী

    বসন্তে কোকিল ডাকে > অধিকরণে ৭মী

    বনে বাঘ থাকে > অধিকরণে ৭মী

    বেলা যে পড়ে এল জলকে চল > নিমিত্তার্থে ৪র্থী

    বাজিল কাহার বীণা > কর্মে শূন্য

    বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে > অধিকরণে ৭মী

    বড় হও নিজের চেষ্টায় > করণে ৭মী

    বসিরকে যেতে হবে > কর্তায় ২য়া

    বোঁটা আলগা ফল গাছে থাকে না > অধিকরণে ৭মী

    বিজ্ঞানীরা তা ক্রমশ বুঝতে পারছিলেন > কর্তৃকারকে শূন্য

    বলাইকে লোভ দেখালুম > কর্মে ২য়া

    বলাইয়ের বাবা ওকে তার কোল থেকে নিয়ে গেল > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়)

    বলাইয়ের বাবা ওকে তার কোল থেকে নিয়ে গেল > কর্মে ২য়া / অধিকরণে ৫মী

    ব্যবহারেই ইতরভদ্র চেনা যায় > করণে ৭মী

    বাজনা বাজে > কর্মে শূন্য

    বিশ্বাস বুদ্ধিকে হার মানায় > কর্মে ২য়া

    বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়েছে > অপাদানে ৩য়া; কর্মে শূন্য

    বারিবিন্দুগণের বিশ্রাম নাই > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী

    বলাই মনে মনে উত্তর করে > কর্তৃকারকে শূন্য

    বলাই কি যে পাগলের মতো বকিস > সম্বোধন পদ (কারক নয়)

    বলাই অনেকদিন থেকে বুঝতে পেরেছিল > কর্তৃকারকে শূন্য

    বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি > কর্মে শূন্য

    বিষের জ্বালায় বিশ্বজুড়ে > করণকারকে ৭মী

    বাংলার নদী মাঠ ভাঁটফুল ঘুঙুরের মত কেঁদেছিল পায় > কর্তায় শূন্য

    বুঝেছ উপেন ও জমি লইব কিনে > উপেন = সম্বন্ধ পদ, জমি = কর্মকারকে ৭মী

    বুঝিলেন নাবিকদিগের দিগভ্রম হইয়াছে > কর্মে শূন্য

    বৃদ্ধ ক্রুদ্ধ হইয়া মাঝিকে তিরস্কার করিতে লাগিল > কর্মে ২য়া
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ব '► বিনা জ্বালে ভাত হয় না > করণে ৭মী বাড়ী থেকে নদী দেখা যায় > অধিকরণে ৫মী বাবা বাড়ী নেই > অধিকরণে শূন্য বাবাকে বড্ড ভয় পাই > অপাদানে ২য়া বাপে না জিজ্ঞাসে মায়ে না সম্ভাসে > কর্তায় ৭মী বাঘে মহিষে এক ঘাটে পানি খায় > কর্তায় ৭মী বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দিব কিসে > কর্তায় ৭মী বিপদে আমি না যেন করি ভয় > কর্মে ৭মী বিপদে অধীর হইও না > অধিকরণে ৭মী বিপদে মোরে রক্ষা কর > অপাদানে ৭মী বসন্তে কোকিল ডাকে > অধিকরণে ৭মী বনে বাঘ থাকে > অধিকরণে ৭মী বেলা যে পড়ে এল জলকে চল > নিমিত্তার্থে ৪র্থী বাজিল কাহার বীণা > কর্মে শূন্য বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে > অধিকরণে ৭মী বড় হও নিজের চেষ্টায় > করণে ৭মী বসিরকে যেতে হবে > কর্তায় ২য়া বোঁটা আলগা ফল গাছে থাকে না > অধিকরণে ৭মী বিজ্ঞানীরা তা ক্রমশ বুঝতে পারছিলেন > কর্তৃকারকে শূন্য বলাইকে লোভ দেখালুম > কর্মে ২য়া বলাইয়ের বাবা ওকে তার কোল থেকে নিয়ে গেল > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়) বলাইয়ের বাবা ওকে তার কোল থেকে নিয়ে গেল > কর্মে ২য়া / অধিকরণে ৫মী ব্যবহারেই ইতরভদ্র চেনা যায় > করণে ৭মী বাজনা বাজে > কর্মে শূন্য বিশ্বাস বুদ্ধিকে হার মানায় > কর্মে ২য়া বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়েছে > অপাদানে ৩য়া; কর্মে শূন্য বারিবিন্দুগণের বিশ্রাম নাই > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী বলাই মনে মনে উত্তর করে > কর্তৃকারকে শূন্য বলাই কি যে পাগলের মতো বকিস > সম্বোধন পদ (কারক নয়) বলাই অনেকদিন থেকে বুঝতে পেরেছিল > কর্তৃকারকে শূন্য বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি > কর্মে শূন্য বিষের জ্বালায় বিশ্বজুড়ে > করণকারকে ৭মী বাংলার নদী মাঠ ভাঁটফুল ঘুঙুরের মত কেঁদেছিল পায় > কর্তায় শূন্য বুঝেছ উপেন ও জমি লইব কিনে > উপেন = সম্বন্ধ পদ, জমি = কর্মকারকে ৭মী বুঝিলেন নাবিকদিগের দিগভ্রম হইয়াছে > কর্মে শূন্য বৃদ্ধ ক্রুদ্ধ হইয়া মাঝিকে তিরস্কার করিতে লাগিল > কর্মে ২য়া
    0 Comments ·0 Shares ·410 Views ·0 Reviews
  • »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ত '►

    তাহাতেও মনটাকে উদাস করিয়া দিত > কর্মে ২য়া

    তাহার ঘরের দক্ষিণ প্রান্তে একটা সোফা ছিল > অধিকরণে ৭মী

    তোমার অভীষ্ট সিদ্ধ হইবে > কর্মে শূন্য

    তবু ক্ষুধিত দিন ক্রমশ সাম্রাজ্য গড়ে তোলে > কর্তৃকারকে শূন্য

    তোমার দানের মাটি সোনার ফসল তুলে ধরে > কর্তৃকারকে শূন্য

    তুমি সন্ধ্যাকাশের তারার মত > অধিকরণে ৬ষ্ঠী

    তোমায় কেন দেই নি আমার সকল শূন্য করে > সম্প্রদানে ৭মী

    তাকে হাতে না মারলেও ভাতে মারব > করণে ৭মী

    তোমার মহিমা জ্বলন্ত অক্ষরে লেখা > করণে ৭মী

    ত্যাগে তিনি নিরহঙ্কার > অধিকরণে ৭মী

    তর্কে বিরত হও > অপাদানে ৭মী

    তোমার পূজার ছলে তোমায় ভুলেই থাকি > সম্প্রদানে ৬ষ্ঠী

    তার চোখ দিয়ে জল পড়ে > অপাদানে ৩য়া

    তোমাদ্বারা একাজ হইবে না সাধন > কর্তায় ৩য়া

    তোমার দেখা পেলাম না > কর্মে ৬ষ্ঠী

    তাকে বল > কর্মে ২য়া

    তিলে তৈল হয় > অপাদানে ৭মী

    তিলে তেল আছে > অধিকরণে ৭মী

    তিনি ব্যাকরণে পণ্ডিত > অধিকরণে ৭মী

    তিনি শুক্রবারে আসবেন > অধিকরণে ৭মী

    তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে > করণে ৭মী

    তাস খেলে কত ছেলে পড়া নষ্ট করে > করণে শূন্য

    তখন সবেমাত্র শহরে জলের কল হইয়াছে > অধিকরণে ৭মী

    তাহার খেলা মাটি হইয়া যায় > কর্মে শূন্য

    তাই লিখি দিল বিশ্ব নিখিল > কর্মে শূন্য

    তুমি কাকাকে বারণ করে দাও > কর্মে শূন্য

    তিনি বিলেতে ইঞ্জিনিয়ারিং শিখতে গেলেন > অধিকরণে ৭মী

    লক্ষ্মীছাড়া শিমুলগাছটির বড়ো বাড় বেড়েছে > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী

    তার কসুর তুমি যেন কখনো মাপ কোরো না > কর্মে শূন্য

    তখন আমেরিকায় লস অ্যাঞ্জেলস ধোয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় > অধিকরণে শূন্য / করণে ৭মী

    তোমাকে ফাঁকি দিব না > কর্মে ২য়া

    তর্করত্ন দ্বিপ্রহর বেলায় বাটী ফিরিতেছিলেন > অধিকরণে ৭মী
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ত '► তাহাতেও মনটাকে উদাস করিয়া দিত > কর্মে ২য়া তাহার ঘরের দক্ষিণ প্রান্তে একটা সোফা ছিল > অধিকরণে ৭মী তোমার অভীষ্ট সিদ্ধ হইবে > কর্মে শূন্য তবু ক্ষুধিত দিন ক্রমশ সাম্রাজ্য গড়ে তোলে > কর্তৃকারকে শূন্য তোমার দানের মাটি সোনার ফসল তুলে ধরে > কর্তৃকারকে শূন্য তুমি সন্ধ্যাকাশের তারার মত > অধিকরণে ৬ষ্ঠী তোমায় কেন দেই নি আমার সকল শূন্য করে > সম্প্রদানে ৭মী তাকে হাতে না মারলেও ভাতে মারব > করণে ৭মী তোমার মহিমা জ্বলন্ত অক্ষরে লেখা > করণে ৭মী ত্যাগে তিনি নিরহঙ্কার > অধিকরণে ৭মী তর্কে বিরত হও > অপাদানে ৭মী তোমার পূজার ছলে তোমায় ভুলেই থাকি > সম্প্রদানে ৬ষ্ঠী তার চোখ দিয়ে জল পড়ে > অপাদানে ৩য়া তোমাদ্বারা একাজ হইবে না সাধন > কর্তায় ৩য়া তোমার দেখা পেলাম না > কর্মে ৬ষ্ঠী তাকে বল > কর্মে ২য়া তিলে তৈল হয় > অপাদানে ৭মী তিলে তেল আছে > অধিকরণে ৭মী তিনি ব্যাকরণে পণ্ডিত > অধিকরণে ৭মী তিনি শুক্রবারে আসবেন > অধিকরণে ৭মী তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে > করণে ৭মী তাস খেলে কত ছেলে পড়া নষ্ট করে > করণে শূন্য তখন সবেমাত্র শহরে জলের কল হইয়াছে > অধিকরণে ৭মী তাহার খেলা মাটি হইয়া যায় > কর্মে শূন্য তাই লিখি দিল বিশ্ব নিখিল > কর্মে শূন্য তুমি কাকাকে বারণ করে দাও > কর্মে শূন্য তিনি বিলেতে ইঞ্জিনিয়ারিং শিখতে গেলেন > অধিকরণে ৭মী লক্ষ্মীছাড়া শিমুলগাছটির বড়ো বাড় বেড়েছে > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী তার কসুর তুমি যেন কখনো মাপ কোরো না > কর্মে শূন্য তখন আমেরিকায় লস অ্যাঞ্জেলস ধোয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় > অধিকরণে শূন্য / করণে ৭মী তোমাকে ফাঁকি দিব না > কর্মে ২য়া তর্করত্ন দ্বিপ্রহর বেলায় বাটী ফিরিতেছিলেন > অধিকরণে ৭মী
    0 Comments ·0 Shares ·246 Views ·0 Reviews
  • »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'গ '►

    গানে গানে মন ভরেছে > করণে ৭মী

    গুরুজনে কর নতি > সম্প্রদানে ৭মী

    গৃহহীনে গৃহ দাও > সম্প্রদানে ৭মী

    গরু গাড়ি টানে > কর্তায় শূন্য

    গরুতে ঘাস খায় > কর্তায় ৭মী

    গরুতে গাড়ি টানে > কর্তায় ৭মী

    গাড়ি স্টেশন ছাড়ে > অপাদানে শূন্য

    গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল > অধিকরণে ৭মী

    গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল > কর্তায় ৭মী

    গুণহীন চিরদিন থাকে পরাধীন > কর্তায় শূন্য

    গুণহীনে ত্যাগ কর > কর্মে ৭মী

    গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা > অধিকরণে ৭মী

    গুণ্ডারা পথিকের মাথায় লাঠি মেরেছে > অধিকরণে ৭মী

    গাধায় খায় পাকা কলা > কর্তায় ৭মী

    গত বিষয়ের জন্য শোক করিও না > কর্মে শূন্য

    গাছ থেকে পাতা পড়ে > অপাদানে শূন্য

    গল্পটা সবাই জানে > কর্মে শূন্য

    গৌরবিকে এখানে নিয়ে আসে মুকুন্দ > কর্মে ২য়া

    গলা বাড়াইয়া আরামে চোখ বুজিয়া রহিল > করণে ৭মী

    গফুরের বুকে শেল বিঁধিল > অধিকরণে ৭মী

    গাছের শিকড় প্রচুর জল টেনে নিতে পারে > কর্মে শূন্য

    গৌরবি তাড়াতাড়ি হাঁটতে পারে না > কর্তৃকারকে শূন্য

    গৌরবির ভেতরটা ভয়ে শুকিয়ে গেল > অপাদানে ৭মী
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'গ '► গানে গানে মন ভরেছে > করণে ৭মী গুরুজনে কর নতি > সম্প্রদানে ৭মী গৃহহীনে গৃহ দাও > সম্প্রদানে ৭মী গরু গাড়ি টানে > কর্তায় শূন্য গরুতে ঘাস খায় > কর্তায় ৭মী গরুতে গাড়ি টানে > কর্তায় ৭মী গাড়ি স্টেশন ছাড়ে > অপাদানে শূন্য গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল > অধিকরণে ৭মী গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল > কর্তায় ৭মী গুণহীন চিরদিন থাকে পরাধীন > কর্তায় শূন্য গুণহীনে ত্যাগ কর > কর্মে ৭মী গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা > অধিকরণে ৭মী গুণ্ডারা পথিকের মাথায় লাঠি মেরেছে > অধিকরণে ৭মী গাধায় খায় পাকা কলা > কর্তায় ৭মী গত বিষয়ের জন্য শোক করিও না > কর্মে শূন্য গাছ থেকে পাতা পড়ে > অপাদানে শূন্য গল্পটা সবাই জানে > কর্মে শূন্য গৌরবিকে এখানে নিয়ে আসে মুকুন্দ > কর্মে ২য়া গলা বাড়াইয়া আরামে চোখ বুজিয়া রহিল > করণে ৭মী গফুরের বুকে শেল বিঁধিল > অধিকরণে ৭মী গাছের শিকড় প্রচুর জল টেনে নিতে পারে > কর্মে শূন্য গৌরবি তাড়াতাড়ি হাঁটতে পারে না > কর্তৃকারকে শূন্য গৌরবির ভেতরটা ভয়ে শুকিয়ে গেল > অপাদানে ৭মী
    0 Comments ·0 Shares ·195 Views ·0 Reviews
  • »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ক '►

    কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলো > কর্মে শূন্য

    কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > কর্মে শূন্য

    কত ধানে কত চাল তা আমি জানি > অপাদানে ৭মী

    কান্নায় শোক মন্দীভূত হয় > ভাবাধিকরণে ৭মী

    কপালের লেখা যায় না খণ্ডন > অধিকরণে ৬ষ্ঠী

    কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > অধিকরণে ৭মী

    কথায় কথা বাড়ে > করণে ৭মী

    কাঁথায় শীত মানে না > করণে ৭মী

    কলমের খোঁচা দিও না > করণে ৬ষ্ঠী

    কুকর্মে বিরত হও > অপাদানে ৭মী

    কাজে মন দাও > অধিকরণে ৭মী

    কাচের জিনিস অতি সহজে ভাঙে > করণে ৬ষ্ঠী

    কাজের বেলা গোল করো না > অধিকরণে শূন্য

    কি সাহসে এমন কথা বললে > কর্মে ৭মী

    কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নাই মানা > কর্তায় ৬ষ্ঠী

    কী হচ্ছে বাইরে > অধিকরণে ৭মী

    কর্তা তোকে জ্যাম্ত করে দেবে > কর্মে ২য়া

    কাকি আমার সেই শিমুল গাছের একটা ফটোগ্রাফ পাঠিয়ে দাও > সম্বোধন পদ (কারক নয়)

    কাকা তোমার দুটি পায়ে পড়ি > সম্বোধন পদ (কারক নয়)

    কবিগুরু গীতাঞ্জলি লিখেছেন > কর্মে শূন্য

    কথায় চিড়ে ভেজে না > করণে ৭মী, কর্মে ৭মী

    কোথা সে ছায়া সখি কোথায় সে জল > কর্মে শূন্য

    ক্রোধ থেকে জন্মে মোহ, মোহ থেকে পাপ > অপাদানে শূন্য

    কূলে একা বসে আছি নাহি ভরসা > অধিকরণে ৭মী

    কি করি আজ ভেবে নাই > অধিকরণে শূন্য

    কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে না > কর্মে শূন্য

    কেহ বাতায়ন–পাশে চেয়ে রয় নীলাকাশে > কর্মকারকে ৭মী

    কেঁদে মরি আঁখিজলে > করণকারকে ৭মী

    কোনো প্রান্তরের গাছের ছায়ায় > অধিকরণে ৭মী

    কী দেখে ডরিবে এদাস হেন দুর্বল মানবে? > অপাদানে ৭মী

    কোনোদিন অদৃষ্টকে দোষ দিই নাই > কর্মে ২য়া

    কৃষ্ণা দ্বাদশীর জ্যাোৎস্না যখন মরিয়া গেছে > কর্তৃকারকে শূন্য

    কেঁদে ভাসাইত বুক > কর্মে শূন্য

    কতবার বালিকাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছি > কর্মে ২য়া

    ক্রুদ্ধ রোষে রুদ্ধ ব্যথায় ফোঁপায় প্রাণে ক্ষুব্ধ বাণী > রোষে = করণে ৭মী, ব্যথায় = করণে ৭মী, বাণী = কর্তৃকারকে শূন্য।

    কিন্তু বলাইয়ের আগ্রহের সাথে পাল্লা দিতে পারে না > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ক '► কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলো > কর্মে শূন্য কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > কর্মে শূন্য কত ধানে কত চাল তা আমি জানি > অপাদানে ৭মী কান্নায় শোক মন্দীভূত হয় > ভাবাধিকরণে ৭মী কপালের লেখা যায় না খণ্ডন > অধিকরণে ৬ষ্ঠী কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল > অধিকরণে ৭মী কথায় কথা বাড়ে > করণে ৭মী কাঁথায় শীত মানে না > করণে ৭মী কলমের খোঁচা দিও না > করণে ৬ষ্ঠী কুকর্মে বিরত হও > অপাদানে ৭মী কাজে মন দাও > অধিকরণে ৭মী কাচের জিনিস অতি সহজে ভাঙে > করণে ৬ষ্ঠী কাজের বেলা গোল করো না > অধিকরণে শূন্য কি সাহসে এমন কথা বললে > কর্মে ৭মী কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নাই মানা > কর্তায় ৬ষ্ঠী কী হচ্ছে বাইরে > অধিকরণে ৭মী কর্তা তোকে জ্যাম্ত করে দেবে > কর্মে ২য়া কাকি আমার সেই শিমুল গাছের একটা ফটোগ্রাফ পাঠিয়ে দাও > সম্বোধন পদ (কারক নয়) কাকা তোমার দুটি পায়ে পড়ি > সম্বোধন পদ (কারক নয়) কবিগুরু গীতাঞ্জলি লিখেছেন > কর্মে শূন্য কথায় চিড়ে ভেজে না > করণে ৭মী, কর্মে ৭মী কোথা সে ছায়া সখি কোথায় সে জল > কর্মে শূন্য ক্রোধ থেকে জন্মে মোহ, মোহ থেকে পাপ > অপাদানে শূন্য কূলে একা বসে আছি নাহি ভরসা > অধিকরণে ৭মী কি করি আজ ভেবে নাই > অধিকরণে শূন্য কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে না > কর্মে শূন্য কেহ বাতায়ন–পাশে চেয়ে রয় নীলাকাশে > কর্মকারকে ৭মী কেঁদে মরি আঁখিজলে > করণকারকে ৭মী কোনো প্রান্তরের গাছের ছায়ায় > অধিকরণে ৭মী কী দেখে ডরিবে এদাস হেন দুর্বল মানবে? > অপাদানে ৭মী কোনোদিন অদৃষ্টকে দোষ দিই নাই > কর্মে ২য়া কৃষ্ণা দ্বাদশীর জ্যাোৎস্না যখন মরিয়া গেছে > কর্তৃকারকে শূন্য কেঁদে ভাসাইত বুক > কর্মে শূন্য কতবার বালিকাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছি > কর্মে ২য়া ক্রুদ্ধ রোষে রুদ্ধ ব্যথায় ফোঁপায় প্রাণে ক্ষুব্ধ বাণী > রোষে = করণে ৭মী, ব্যথায় = করণে ৭মী, বাণী = কর্তৃকারকে শূন্য। কিন্তু বলাইয়ের আগ্রহের সাথে পাল্লা দিতে পারে না > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী
    0 Comments ·0 Shares ·199 Views ·0 Reviews
  • কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ঐ '

    ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের গাঁ > কর্মে শূন্য
    কারক বিভক্তির উদাহরণ 'ঐ ' ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের গাঁ > কর্মে শূন্য
    0 Comments ·0 Shares ·73 Views ·0 Reviews
  • »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'আ '►

    আজকে নগদ কালকে ধার > অধিকরণে ২য়া

    আমাদের একটি গল্প বলুন > কর্মে ৬ষ্ঠী

    আমা হতে এ কার্য হবে না সাধন > কর্তায় ৫মী

    আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয় > অধিকরণে ৭মী

    আমি ঢাকা যাবো > অধিকরণে শূন্য

    আমরা রোজ স্কুলে যাই > অধিকরণে ৭মী

    আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা > কর্মে ২য়া

    আমাকে একখানা বই দাও > কর্মে শূন্য

    আমার যাওয়া হয়নি > কর্তায় ৬ষ্ঠী

    আমার খাওয়া হলো না > কর্তায় ৬ষ্ঠী

    আমাকে যেতে হবে > কর্তায় ২য়া

    আমায় একটু আশ্রয় দিন > সম্প্রদানে ৭মী

    আমি কি ডরাই সখী ভিখারি রাঘবে > অপাদানে ৭মী

    আগুনে সেঁক দাও > করণে ৭মী

    আকাশে চাঁদ উঠেছে > অধিকরণে ৭মী

    আকুল করিয়া তোলে মন > কর্মকারকে শূন্য

    আমার বসন্ত কাটে খাদ্যের সারিতে প্রতীক্ষায় > অধিকরণে ৭মী

    আমাদের চটিজুতো একজোড়া থাকিত > কর্মে শূন্য

    আমাদের বাড়ির দরজি নেয়ামত খলিফা > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়)

    আহারে আমাদের শৌখিনতার গন্ধও ছিল না > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়)

    আজ হবে না, কাল এসো > অধিকরণে শূন্য

    আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান তলির গাঁ > অধিকরণে শূন্য

    আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি > করণে ৭মী

    আলো চাই, অন্ন চাই, চাই মুক্তবায়ু > সম্প্রদানে শূন্য

    আকাশের ঐ তারার সনে কইব কথা নাই বা তুমি এলে > কর্মে ৬ষ্ঠী, কর্তায় শূন্য

    আমারে লহ তুমি করুণা করে > কর্মে ২য়া

    আচার–ব্যবহারে ভদ্র–অভদ্র চেনা যায় > অপাদানে ৭মী

    আত্মার সম্পর্ক হল আত্মীয় > কর্মে শূন্য

    আকাশ আজি মেঘলা যেয়ো নাকো একলা > অধিকরণে শূন্য

    আপন পাঠেতে মন করহ নিবেশ > অধিকরণে ৭মী

    আমার স্বপন আধো জাগরণ < কর্মে শূন্য

    আমারে করহ তোমার বীণা > কর্মে ২য়া

    আলোয় আঁধার কাটিয়া যায় > করণে ৭মী

    আমেরিকাতে ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট আইন পাশ হয়ে যায় > অধিকরণে ৭মী

    আজকাল মানুষ বড় মন্দ হয়ে গেছে > অধিকরণে শূন্য

    আগুনটা ভালো করে জ্বালা > কর্মে শূন্য

    আজ সেখানে গিয়েছিলাম > অধিকরণে শূন্য

    আমাদের মতো শিশুর আজ্ঞা যদি খাটিত > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী

    আমার ওই গাছগুলো যেন না কাটে > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী

    আমার মহেশ মরে যাবে > কর্তৃকারকে শূন্য

    আমার খাওয়া দাওয়া হয়নি > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী


    আমাকে যত খুশি সাজা দিও > কর্মকারকে ২য়া
    »»কারক বিভক্তির উদাহরণ 'আ '► আজকে নগদ কালকে ধার > অধিকরণে ২য়া আমাদের একটি গল্প বলুন > কর্মে ৬ষ্ঠী আমা হতে এ কার্য হবে না সাধন > কর্তায় ৫মী আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয় > অধিকরণে ৭মী আমি ঢাকা যাবো > অধিকরণে শূন্য আমরা রোজ স্কুলে যাই > অধিকরণে ৭মী আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা > কর্মে ২য়া আমাকে একখানা বই দাও > কর্মে শূন্য আমার যাওয়া হয়নি > কর্তায় ৬ষ্ঠী আমার খাওয়া হলো না > কর্তায় ৬ষ্ঠী আমাকে যেতে হবে > কর্তায় ২য়া আমায় একটু আশ্রয় দিন > সম্প্রদানে ৭মী আমি কি ডরাই সখী ভিখারি রাঘবে > অপাদানে ৭মী আগুনে সেঁক দাও > করণে ৭মী আকাশে চাঁদ উঠেছে > অধিকরণে ৭মী আকুল করিয়া তোলে মন > কর্মকারকে শূন্য আমার বসন্ত কাটে খাদ্যের সারিতে প্রতীক্ষায় > অধিকরণে ৭মী আমাদের চটিজুতো একজোড়া থাকিত > কর্মে শূন্য আমাদের বাড়ির দরজি নেয়ামত খলিফা > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়) আহারে আমাদের শৌখিনতার গন্ধও ছিল না > সম্বন্ধ পদ (কারক নয়) আজ হবে না, কাল এসো > অধিকরণে শূন্য আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান তলির গাঁ > অধিকরণে শূন্য আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি > করণে ৭মী আলো চাই, অন্ন চাই, চাই মুক্তবায়ু > সম্প্রদানে শূন্য আকাশের ঐ তারার সনে কইব কথা নাই বা তুমি এলে > কর্মে ৬ষ্ঠী, কর্তায় শূন্য আমারে লহ তুমি করুণা করে > কর্মে ২য়া আচার–ব্যবহারে ভদ্র–অভদ্র চেনা যায় > অপাদানে ৭মী আত্মার সম্পর্ক হল আত্মীয় > কর্মে শূন্য আকাশ আজি মেঘলা যেয়ো নাকো একলা > অধিকরণে শূন্য আপন পাঠেতে মন করহ নিবেশ > অধিকরণে ৭মী আমার স্বপন আধো জাগরণ < কর্মে শূন্য আমারে করহ তোমার বীণা > কর্মে ২য়া আলোয় আঁধার কাটিয়া যায় > করণে ৭মী আমেরিকাতে ক্লিন এয়ার অ্যাক্ট আইন পাশ হয়ে যায় > অধিকরণে ৭মী আজকাল মানুষ বড় মন্দ হয়ে গেছে > অধিকরণে শূন্য আগুনটা ভালো করে জ্বালা > কর্মে শূন্য আজ সেখানে গিয়েছিলাম > অধিকরণে শূন্য আমাদের মতো শিশুর আজ্ঞা যদি খাটিত > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী আমার ওই গাছগুলো যেন না কাটে > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী আমার মহেশ মরে যাবে > কর্তৃকারকে শূন্য আমার খাওয়া দাওয়া হয়নি > কর্তৃকারকে ৬ষ্ঠী আমাকে যত খুশি সাজা দিও > কর্মকারকে ২য়া
    0 Comments ·0 Shares ·310 Views ·0 Reviews
  • জালালউদ্দিন রুমির একটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি:

    "স্রষ্টা বলেছেন, 'তুমি যাকে'ই আমার চেয়ে বেশি ভালোবাসবে', আমি তাকে'ই তোমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবো এবং তোমাকে একা করে রাখব। "তিনি আরও বলেছেন, 'কখনো বলবেনা আমি তাকে ছাড়া বাঁচবোনা' তবে আমি তাকে ছাড়াই তোমাকে বাঁচাবো এবং পেছনের অনুগত সব আবেগ কেড়ে নিয়ে, তোমাকে দিব্যি সামনে নিয়ে যাব..!!

    তুমি কী দেখো না, ঋতুরাও বদলাতে থাকে...?

    ছায়া দেয়া গাছের পাতাও একসময় শুকিয়ে যায়?

    ধৈর্য্য হারিয়ে যায় কিন্তু তোমার স্রষ্টা ধৈর্যশীল ও পরম দয়ালু, সেই ঝরে যাওয়া পাতার ডাল থেকেই আবার সবুজ পাতা গজায়, তুমি কী দেখো না তোমার স্রষ্টার এই নিদর্শন...?

    যে মানুষটাকে তুমি নিজের অংশ ভাবতে, সেই মানুষটাই একদিন অচেনা হয়ে যায়। তোমার মন ভে ঙে যায়...!

    এমনকি তোমার বন্ধুও শ ত্রু তে পরিণত হয়, আর শ ত্রুও খানিক সময় পরে বন্ধুতে পরিণত হয়। যে মানুষটাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে সেও প্রতারণা করে। তবে তুমি কেন স্রষ্টার বিমুখ হয়ে মানুষকে ভরসা করো...? অদ্ভুত এই পৃথিবী...!


    যখন তুমি ভাবো এটা হবেনা কখনো, কিন্তু পরক্ষণে সেটাই হয়। সেটাই হবার নয় কী...? তুমি বল, 'আমি পড়বনা' অথচ তুমি পড়ো। তুমি বলো, 'আমি বিস্মিত হবোনা...!' অথচ তুমি রোজ বিস্মিত হও।

    এবং সবচেয়ে বিচিত্র বিষয় হচ্ছে-তুমি বলতে থাকো 'আমি মরে গেছি' অথচ তুমি বাঁচো, তুমি বেঁচে থাকো, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচায়, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচিয়ে রাখে...!

    -মাওলানা জালালুদ্দিন মোহাম্মদ রুমি (রহ.) #Jalaluddin #rumi
    জালালউদ্দিন রুমির একটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি: "স্রষ্টা বলেছেন, 'তুমি যাকে'ই আমার চেয়ে বেশি ভালোবাসবে', আমি তাকে'ই তোমার কাছ থেকে দূরে নিয়ে যাবো এবং তোমাকে একা করে রাখব। "তিনি আরও বলেছেন, 'কখনো বলবেনা আমি তাকে ছাড়া বাঁচবোনা' তবে আমি তাকে ছাড়াই তোমাকে বাঁচাবো এবং পেছনের অনুগত সব আবেগ কেড়ে নিয়ে, তোমাকে দিব্যি সামনে নিয়ে যাব..!! তুমি কী দেখো না, ঋতুরাও বদলাতে থাকে...? ছায়া দেয়া গাছের পাতাও একসময় শুকিয়ে যায়? ধৈর্য্য হারিয়ে যায় কিন্তু তোমার স্রষ্টা ধৈর্যশীল ও পরম দয়ালু, সেই ঝরে যাওয়া পাতার ডাল থেকেই আবার সবুজ পাতা গজায়, তুমি কী দেখো না তোমার স্রষ্টার এই নিদর্শন...? যে মানুষটাকে তুমি নিজের অংশ ভাবতে, সেই মানুষটাই একদিন অচেনা হয়ে যায়। তোমার মন ভে ঙে যায়...! এমনকি তোমার বন্ধুও শ ত্রু তে পরিণত হয়, আর শ ত্রুও খানিক সময় পরে বন্ধুতে পরিণত হয়। যে মানুষটাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে সেও প্রতারণা করে। তবে তুমি কেন স্রষ্টার বিমুখ হয়ে মানুষকে ভরসা করো...? অদ্ভুত এই পৃথিবী...! যখন তুমি ভাবো এটা হবেনা কখনো, কিন্তু পরক্ষণে সেটাই হয়। সেটাই হবার নয় কী...? তুমি বল, 'আমি পড়বনা' অথচ তুমি পড়ো। তুমি বলো, 'আমি বিস্মিত হবোনা...!' অথচ তুমি রোজ বিস্মিত হও। এবং সবচেয়ে বিচিত্র বিষয় হচ্ছে-তুমি বলতে থাকো 'আমি মরে গেছি' অথচ তুমি বাঁচো, তুমি বেঁচে থাকো, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচায়, তোমার স্রষ্টা তোমাকে বাঁচিয়ে রাখে...! -মাওলানা জালালুদ্দিন মোহাম্মদ রুমি (রহ.) #Jalaluddin #rumi
    0 Comments ·0 Shares ·575 Views ·0 Reviews
Otvut https://playu.otvut.com/